জিয়া অরফানেজ এবং চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্রের দুই মামলায় হাজিরা দিতে বুধবার দুপুরে আদালতে যাবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে বুধবার এ মামলা দুটির অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। দুপুর ১২টা নাগাদ তিনি আদালতে হাজির হতে পারেন।
দুদকের বিশেষ পিপি মোশারফ হোসেন কাজল বলেন, খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করেছেন। দীর্ঘবিলম্বিত এ মামলা দুটিতে প্রতিবারই হাইকোর্টে শুনানির কথা বলে সময় চাওয়া হচ্ছে।
এ পর্যন্ত বিভিন্ন কারণে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ৪১ বার ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ১১ বার খালেদা জিয়ার পক্ষে সময় আবেদন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, কাজী সলিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান অভিযোগভুক্ত আসামি।
তবে শেষের দুজন প্রথম থেকেই পলাতক আছেন। তারেকের পক্ষে তার আইনজীবী হাজিরা দেন।এ দিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। তবে হারিছ চৌধুরী এ মামলায় শুরু থেকেই পলাতক। অন্যরা সবাই জামিনে আছেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অন্যদিকে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের দুর্নীতির মামলাটি করা হয়। এ মামলায় গত বছর ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। মামলাটিতে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আÍসাতের অভিযোগ আনা হয়। দুটি মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক হারুনুর রশীদ।
তিনি জানান, ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে বুধবার এ মামলা দুটির অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। দুপুর ১২টা নাগাদ তিনি আদালতে হাজির হতে পারেন।
দুদকের বিশেষ পিপি মোশারফ হোসেন কাজল বলেন, খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করেছেন। দীর্ঘবিলম্বিত এ মামলা দুটিতে প্রতিবারই হাইকোর্টে শুনানির কথা বলে সময় চাওয়া হচ্ছে।
এ পর্যন্ত বিভিন্ন কারণে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ৪১ বার ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ১১ বার খালেদা জিয়ার পক্ষে সময় আবেদন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, কাজী সলিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান অভিযোগভুক্ত আসামি।
তবে শেষের দুজন প্রথম থেকেই পলাতক আছেন। তারেকের পক্ষে তার আইনজীবী হাজিরা দেন।এ দিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। তবে হারিছ চৌধুরী এ মামলায় শুরু থেকেই পলাতক। অন্যরা সবাই জামিনে আছেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অন্যদিকে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের দুর্নীতির মামলাটি করা হয়। এ মামলায় গত বছর ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। মামলাটিতে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আÍসাতের অভিযোগ আনা হয়। দুটি মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক হারুনুর রশীদ।

No comments:
Post a Comment