Sunday, July 20, 2014

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে আটক ১০

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে।

সোমাবার সকাল সাড়ে ৯টায় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, জিআরপি থানা পুলিশ, ৠাব, এপিবিএন এবং আনসার বাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। 

রেলওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মজিদ বলেন, অভিযুক্ত ১০ জন লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কালোবাজারির চেষ্টা করছিল। লাইনে দাঁড়িয়ে কয়েকজন টিকিট নিয়েছে, তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। 

তিনি বলেন, টিকিট কালোবাজারি রোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্টেশনে মোট ১৬ টি সিসিটিভি ক্যামেরার মধ্য দিয়ে নজরদারি করা হচ্ছে। এছাড়াও পৃথকভাবে প্রতিটি যাত্রীর ভিডিও চিত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে যেন কালোবাজারি রোধ করা যায়। 

সকাল ৯টায় দ্বিতীয় দিনের মতো অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। 

ধর্মপাশায় নৌকা থেকে পড়ে শিক্ষকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় নৌকা থেকে পড়ে মনিন্দ্র গৌরাঙ্গ (৫৫) নামে এক স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। 

রোববার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মধ্যনগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।শিক্ষক গৌরাঙ্গ ধর্মপাশা উপজেলার বালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।পুলিশ জানায়, মধ্যনগর থেকে নৌকায় করে শিক্ষক গৌরাঙ্গ ধর্মপাশা যাচ্ছিলেন। পথে মধ্যনগর থানার গোমাই নদীর গোলখালি গ্রাম এলাকায় একটি নৌকার সঙ্গে তাদের বহনকারী নৌকাটির ধাক্কা লাগলে শিক্ষক মনিন্দ্র গৌরাঙ্গ পানিতে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়।

মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিক্ষক গৌরাঙ্গের মৃত্যু বিষয়ে কোন অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিযা শেষে লাশ স্বজনদের কাছে  হস্তান্তর করা হয়েছে। 

গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় গণপিটুনিতে সাত্তার মিয়া (২৫) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছেন। 

রোববার দিনগত রাত সোয়া ৩টার দিকে উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের কালনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত সাত্তার মিয়া উপজেলা সদরের লাল মিয়ার ছেলে। 

রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান জানান, শেষরাতে কালনী এলাকার ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমানের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেয়। এসময় বাড়ির লোকজন চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ডাকাতদের ধাওয়া করে। 

একপর্যায়ে সাত্তার নামে এক ডাকাত সদস্যকে আটক করে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এসময় তার সঙ্গীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। 

এসআই আরো জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালকের মৃত্যু

রাজধানীর সায়েদাবাদ চার রাস্তার মোড়ে বাসের ধাক্কায় আব্দুর রাজ্জাক (৫০) নামে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

মৃতের স্ত্রী মাজেদা ‍জানান, সকালে তার স্বামী বাসা থেকে ভ্যান নিয়ে বের হন। পৌনে ৮টার দিকে বাসের ধাক্কায় আহত হওয়ার খবর পেলে দ্রুত তাকে ঢামেকে নিয়ে যান। সেখানে সাড়ে ৮টায় ‍তার মৃত্যু হয়।

ঢামেক ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ ঢামেকের 
জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা আছে।  

বঙ্গোপসাগরে ৭ ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ২৫

ভোলার সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে জেলেদের মাছ ধরার ৬টি ট্রলার ও একটি ফিশিং বোট ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪৯ জেলে উদ্ধার হলেও সোমবার পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন ২৫ জেলে।

শনিবার সন্ধ্যায় দৌলতখানের একটি ফিশিং বোট ও রোববার সন্ধ্যায় চরফ্যাশনের ৬টি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

ফিশিং বোট ডুবিতে নিখোঁজ ১১ জনের মধ্যে দৌলতখানের এফ বি মা-২ বোটের জেলেদের মধ্যে ইসমাইল (৩৮), মতি (৫০) ও আবুর (৬০) নাম জানা গেছে। 

উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে ফারুক (৬০), আব্দুর রহিম (৩০), আলেম (৫৫), মোস্তফা (৪৫) ও কালু (৩২) নাম পাওয়া গেছে। এদের বাড়ি দৌলতখান উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে।
 
চরফ্যাশনের ঢালচর মৎস্য আড়ৎদার সমিতির সভাপতি নান্নু মাতাব্বর জানান, রোববার সন্ধ্যার পর বঙ্গোপসাগরের পূবের চর, শিবপর ও কালুচর সীমানায় হারুন মাঝি, ইউসুফ মাঝি, সিরাজ মাঝি, শাজাহান মাঝি, কামাল ও হুমায়ুন মাঝি ট্রলার ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। 

এদের মধ্যে হারুন মাঝির ট্রলারে থাকা ৫ জেলের সবাই,  ইউসুফ মাঝির ১১ জেলের সবাই,  সিরাজ মাঝির ট্রলারের ৬ জনের সবাই, শাজাহান মাঝির ১৪ জনের সবাই, কামাল মাঝির ৬ জনের সবাই এবং হুমায়ুন মাঝির ১৪ জেলের সবাইসহ মোট ৫৬ জেলে নিখোঁজ ছিলেন। 

সোমবার সকালে ওই সব ট্রলারের ৪২ জনের সন্ধান পাওয়া গেলেও হুমায়ুন মাঝির ট্রলারের ১৪ মাঝি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

অপরদিকে, চরফ্যাশনের সংলগ্ন কালনীনি থেকে শতাধিক কিলোমিটার দক্ষিণে গভীর বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে এম বি মা-২ নামের একটি ফিশিং বোট ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে বোটের ১৮ জেলের মধ্যে ৭ জেলে উদ্ধার হলেও ১১ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।

আহত জেলেদের রোববার সন্ধ্যায় দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ট্রলার মালিক চৌধুরী মোল্লা বলেন, ট্রলারে তার ছেলে ইসমাইলও ছিল। তাকেও খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা। তবে নিখোঁজদের উদ্ধারে অন্য ট্রলারের সহায়তায় উদ্ধার চেষ্টা চলছে।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ট্রলার মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ জেলেদের পরিবারে কান্নার রোল পড়েছে। স্বজনদের কান্নায় সেখানকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে। তারা নিখোঁজদের উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিগীতা কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে ভোলার জেলা প্রশাসক মো. সেলিম রেজা বলেন, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্টগার্ডের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তারা সোমবার ভোর থেকেই উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। 

কচুয়ায় গৃহবধূকে গণধর্ষণ, আটক ২


চাঁদপুরের কচুয়ায় স্বামীকে মারধর করে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে (২৮) পালাক্রমে গণধর্ষণ করেছে দুর্বৃত্তরা।

কচুয়া উপজেলার নাউলা গ্রামের সরকার বাড়ি নামের একটি হিন্দু বাড়ির পরিত্যক্ত ঘরে শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বর্বরোচিত এ ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় ধর্ষিতার স্বামী বাদী হয়ে কচুয়া থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ রাতে দুই আসামিকে আটক করে।

আটক দুই ধর্ষক হলেন, ওই গ্রামের নোয়া বাড়ির মো. আবদুস ছোবহানের ছেলে শাখাওয়াত হোসেন (৩২) এবং একই গ্রামের মুন্সি বাড়ির লনি মিয়ার ছেলে আমির হোসেন (২৮)।

ধর্ষিতার স্বামীর বাড়ি কুমিল্লা জেলার বড়ুয়া উপজেলার মহিদপুর গ্রামে। তিনি পেশায় রং মিস্ত্রি। ওই দম্পতি গত ৬ মাস ধরে কচুয়া উপজেলার নাউলা গ্রামের এক বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে মামলার এজহারভুক্ত আসামি আমির হোসেন, শাখাওয়াত হোসেন, খোকন মিয়া, মানিক মিয়া, আবু সুফিয়ান, জয়নাল আবেদীন, সফিক ও জাকির হোসেন তাদের ঘরে ঢোকে। ঘরে ঢুকেই বলে তাদের বিয়ের কাবিননামা দেওয়ার জন্যে। এরপর তারা ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। 

একপর্যায়ে তারা ধর্ষিতার স্বামীকে আটক করে মারধর করে অন্য একটি ঘরে বেঁধে রাখে। পরে সরকার বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে ওই গৃহবধ‍ূকে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে গৃহবধ‍ূ অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে ফেলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। 

পরে গৃহবধ‍ূ নিজে স্বামীর হাতের বাঁধ খুলে দিলে তারা দুজনেই স্থানীয় ডাক্তারের কাছে গিয়ে ব্যথার ওষুধ সেবন করেন। পরদিন সন্ধ্যায় কচুয়া থানায় এসে স্বামী একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

মামলা হওয়ার পরপরই কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন মজুমদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও দুই ধর্ষককে আটক করেন।


মালয়েশিয়ান বিমানের নম্বর নিয়ে রমরমিয়ে জুয়া

মালয়েশিয়ান বিমান এম এইচ১৭-এর সঙ্গে যুক্ত যেকোনো নম্বর এখন তুমুল জনপ্রিয় মালয়েশিয়ার জুয়াড়িদের কাছে। ১৭১৭, ৭৭৭ নম্বরের টিকিট এখন এতটাই জনপ্রিয় সে দেশের জুয়াড়িদের কাছে, যে কার্যত বাধ্য হয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান সংক্রান্ত নম্বরের টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে কয়েকটি দোকান।
বোয়িং ৭৭৭ চলতি মাসের ১৭ জুলাই ইউক্রেনের আকাশপথ পেরনোর সময় ভেঙে পড়ে। বিমানে মোট ২৯৮ জন যাত্রীসহ চালক, সবাই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন। এশীয়দের বিশ্বাস, কোনো দুর্ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নম্বর, সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে আসে। মালয়েশিয়ায় জুয়া ব্যাপক জনপ্রিয়। চারটি নম্বরসহ টিকিটের চাহিদা সে দেশে সবচেয়ে বেশি। তাই অভিশপ্ত বিমানের সঙ্গে যুক্ত যেকোনো নম্বরের টিকিট বিকোচ্ছিল হু হু করে।
কিন্তু মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনা নিয়ে জুয়া? মানতে পারছেন না অনেক জুয়াড়িও। তাই ম্যাগমাম, বেরজায়া স্পোর্টস টোটোর মতো সে দেশের বড় বড় জুয়া সংস্থাই ৭৭৭, ১৭১৭ নম্বরের টিকিটের বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। রবিবার এমনটাই জানিয়েছে সে দেশের একটি সংবাদপত্র।
সূত্র : কলকাতা ২৪