বাচ্চাদের লম্বা ছুটির সময়টিতে আপনি ভিন্ন কিছু
কাজ করতে পারেন। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে এসব করার সময় না থাকলেও আগের আমলে মায়েরা
অনেক কিছুই করতেন। মোবাইল ফোন-ট্যাব-কম্পিউটার নয়, এখানে জেনে
নিন এমনই সাতটি পুরনো কাজ যা শিশুদের সঙ্গে করে ব্যাপক উপভোগ করতে পারবেন সময়টিকে।
১. বাড়িতে রুটি, মাখন বা কেক বানানো : বাচ্চাদের রুটি-মাখন বা কেক দারুণ প্রিয় খাবার। আর এটি যদি এক সঙ্গে মজা করতে করতে বানানো যায়, তবে তো কথাই নেই। এসব তৈরি করা জানতে হবে না। যদিও আগের মায়েরা ঠিকই জানতেন। তাই যেকোনো জায়গা থেকে রেসিপি নিয়ে বাচ্চাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ শুরু করে দিতে পারেন।
২. আনন্দের সঙ্গে ছবি আঁকা : বাড়িতে সবাই মিলে আনন্দের সঙ্গে ছবি আঁকার কৌশল শিখিয়েছিলেন বব রস। রং, তুলি আর বড় মাপের কাগজ নিয়ে বসে পড়তে পারেন ছেলে-মেয়েদের নিয়ে। এই কাজের সময় দারণ উপভোগ করবেন সবাই।
৩. ব্ল্যাঙ্কেট ফোর্ট : ঘর জুড়ে চেয়ার, কাপড় বা অন্যান্য ছোট ছোট জিনিসপত্র ব্যবহার করে দুর্গের মতো উঁচু ভবনের মতো তাবু করা বা টানেলের মতো তৈরি করা দারুণ একটা খেলা। এসব বানাতেই আনন্দে সময় কেটে যাবে আপনাদের।
৪. বল খেলা : ছোট পরিসরে একটি ফুটবল নিয়ে একটু খেলতে পারেন। পা দিয়ে কিক করে একজন অপরজনকে দিলেন। সাধারণ এই মজার উপায়টি অসাধারণ হয়ে উঠবে। বাড়ির উঠোনে এটি খেলার তুলনাই নেই।
৫. অ্যাডভেঞ্চার বই তৈরি করা : এটি সৃষ্টিশীল একটি খেলা যা শিশুদের মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটাবে। বাচ্চারা গল্প শুনতে ভালোবাসে। রোমাঞ্চকর ছোটদের গল্প কিনে আনুন। বইটি পড়ে তারা গল্পটির শেষে আর কী কী হতে পারতো তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে তা লিখবে। আবার এ গল্পের আর কী কী নাম দেওয়া যায় তাও তাদের গবেষণার বিষয় হতে পারে।
৬. কাঁচের বয়ামে জোনাকি : আমাদের দেশে গ্রামে এখনো জোনাকি রয়েছে। তাই শহরের ছেলে-মেয়রা জোনাকির আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়। তবুও গাছ-পালা রয়েছে এমন স্থানে জোনাকির দেখা মেলে। কাঁচের বয়ামে জোনাকি ধরে ধরে ভেতরে রাখার মতো মজার কাজ বোধহয় আর নেই। তাই এই কাজে লাগিয়ে দিন বাচ্চাদের।
৭. উঠোনে ছোটখাটো প্রতিযোগিতামূলক খেলার আয়োজন : পাড়া-পড়শীদের বাচ্চাদের নিয়ে এই আনন্দের কাজটি উপভোগ করা যেতে পারে। দুটো গাছের সঙ্গে একটি রশি বেঁধে দিন এবং তাদের লাফিয়ে সেই রশি টপকানোর প্রতিযোগিতায় নামিয়ে দিন। এমন দড়িলাফ বা বিস্কুট দৌড় ইত্যাদি ব্যাপক আনন্দের খেলার আয়োজন চলতে পারে। সূত্র : ইন্টারনেট
১. বাড়িতে রুটি, মাখন বা কেক বানানো : বাচ্চাদের রুটি-মাখন বা কেক দারুণ প্রিয় খাবার। আর এটি যদি এক সঙ্গে মজা করতে করতে বানানো যায়, তবে তো কথাই নেই। এসব তৈরি করা জানতে হবে না। যদিও আগের মায়েরা ঠিকই জানতেন। তাই যেকোনো জায়গা থেকে রেসিপি নিয়ে বাচ্চাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ শুরু করে দিতে পারেন।
২. আনন্দের সঙ্গে ছবি আঁকা : বাড়িতে সবাই মিলে আনন্দের সঙ্গে ছবি আঁকার কৌশল শিখিয়েছিলেন বব রস। রং, তুলি আর বড় মাপের কাগজ নিয়ে বসে পড়তে পারেন ছেলে-মেয়েদের নিয়ে। এই কাজের সময় দারণ উপভোগ করবেন সবাই।
৩. ব্ল্যাঙ্কেট ফোর্ট : ঘর জুড়ে চেয়ার, কাপড় বা অন্যান্য ছোট ছোট জিনিসপত্র ব্যবহার করে দুর্গের মতো উঁচু ভবনের মতো তাবু করা বা টানেলের মতো তৈরি করা দারুণ একটা খেলা। এসব বানাতেই আনন্দে সময় কেটে যাবে আপনাদের।
৪. বল খেলা : ছোট পরিসরে একটি ফুটবল নিয়ে একটু খেলতে পারেন। পা দিয়ে কিক করে একজন অপরজনকে দিলেন। সাধারণ এই মজার উপায়টি অসাধারণ হয়ে উঠবে। বাড়ির উঠোনে এটি খেলার তুলনাই নেই।
৫. অ্যাডভেঞ্চার বই তৈরি করা : এটি সৃষ্টিশীল একটি খেলা যা শিশুদের মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটাবে। বাচ্চারা গল্প শুনতে ভালোবাসে। রোমাঞ্চকর ছোটদের গল্প কিনে আনুন। বইটি পড়ে তারা গল্পটির শেষে আর কী কী হতে পারতো তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে তা লিখবে। আবার এ গল্পের আর কী কী নাম দেওয়া যায় তাও তাদের গবেষণার বিষয় হতে পারে।
৬. কাঁচের বয়ামে জোনাকি : আমাদের দেশে গ্রামে এখনো জোনাকি রয়েছে। তাই শহরের ছেলে-মেয়রা জোনাকির আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়। তবুও গাছ-পালা রয়েছে এমন স্থানে জোনাকির দেখা মেলে। কাঁচের বয়ামে জোনাকি ধরে ধরে ভেতরে রাখার মতো মজার কাজ বোধহয় আর নেই। তাই এই কাজে লাগিয়ে দিন বাচ্চাদের।
৭. উঠোনে ছোটখাটো প্রতিযোগিতামূলক খেলার আয়োজন : পাড়া-পড়শীদের বাচ্চাদের নিয়ে এই আনন্দের কাজটি উপভোগ করা যেতে পারে। দুটো গাছের সঙ্গে একটি রশি বেঁধে দিন এবং তাদের লাফিয়ে সেই রশি টপকানোর প্রতিযোগিতায় নামিয়ে দিন। এমন দড়িলাফ বা বিস্কুট দৌড় ইত্যাদি ব্যাপক আনন্দের খেলার আয়োজন চলতে পারে। সূত্র : ইন্টারনেট

No comments:
Post a Comment