স্পোর্টস ডেস্ক -
বিশ্বকাপের মতো আইসিসি ইভেন্ট বা কোনও
বহুদেশীয় টুর্নামেন্টে পরস্পরের সঙ্গে খেলতে কোনও বাধা নেই দুই প্রতিবেশী দেশ
ভারত ও পাকিস্তানের৷
কিছুদিন আগে এই মিরপুরেই আফ্রিদির কাছে প্রায় আত্মসমর্পন করেছিল বিরাট কোহলির ভারত৷কয়েক সপ্তাহ যেতে না যেতেই আবার একটা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ৷ এবারের মঞ্চ আরও বড়- বিশ্বকাপ৷ হোক না সেটা ২০-২০ (৪০) ওভারের বিশ্বযুদ্ধ ৷ কিন্তু বিশ্বকাপের আসরে ভারত-পাকিস্তান লড়াই মানেই আলাদা একটা যুদ্ধাংদেহীতার গন্ধ।
এশিয়া কাপে হারতে হলেও বিশ্বকাপ সম্পূর্ণ অন্য খেলা৷ তাই আগে কি হয়েছে, সেটা আর মাথায় না রেখে নতুনভাবেই মিরপুরের শের ই-বাংলা স্টেডিয়ামে শুক্রবার মাঠে নামতে চলেছে দু’দল ৷ গত কয়েকদিন দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে দু’দলই জিতেছে একটি করে ম্যাচ৷
কিছুদিন আগে এই মিরপুরেই আফ্রিদির কাছে প্রায় আত্মসমর্পন করেছিল বিরাট কোহলির ভারত৷কয়েক সপ্তাহ যেতে না যেতেই আবার একটা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ৷ এবারের মঞ্চ আরও বড়- বিশ্বকাপ৷ হোক না সেটা ২০-২০ (৪০) ওভারের বিশ্বযুদ্ধ ৷ কিন্তু বিশ্বকাপের আসরে ভারত-পাকিস্তান লড়াই মানেই আলাদা একটা যুদ্ধাংদেহীতার গন্ধ।
এশিয়া কাপে হারতে হলেও বিশ্বকাপ সম্পূর্ণ অন্য খেলা৷ তাই আগে কি হয়েছে, সেটা আর মাথায় না রেখে নতুনভাবেই মিরপুরের শের ই-বাংলা স্টেডিয়ামে শুক্রবার মাঠে নামতে চলেছে দু’দল ৷ গত কয়েকদিন দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে দু’দলই জিতেছে একটি করে ম্যাচ৷
শ্রীলঙ্কার
কাছে প্রথম ম্যাচে হারার পর বুধবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সহজেই জিতেছে মেন বিরাট
কোহলি-রোহিত শর্মারা৷ অন্যদিকে ব্লাক ক্যাপস বধের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে
লজ্জাজনক হারতে হয়েছে পাকিস্তানকে৷ তাই এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছে
হারার পর প্রস্তুতি ম্যাচেও খারাপ পারফরম্যান্স যথেষ্ট চিন্তায় রাখছে পাক
অধিনায়ক হাফিজকে৷
অন্যদিকে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে কিছুটা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন ধোনিরা৷ আর বিশ্বকাপের অতীত রেকর্ডও ভারতের পক্ষেই৷ এখনও পর্যন্ত ৫০ ওভার বা টি-২০ কোনও বিশ্বকাপেই পাকিস্তানের কাছে হারেনি ভারত৷ ২০০৭ সালের প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে অভিযান শুরু করেছিল ভারত৷ সেই বছর চ্যাম্পিয়ন হয় টিম ইন্ডিয়া৷ এবছরও তাই ২০০৭-এরই পুনরাবৃত্তি করতে চাইছে ধোনি ব্রিগেড ৷
ভারতীয়দের বোলিং বিভাগ অবশ্যই চিন্তায় রাখছে তাদের৷ চার বোলার এবং সাত ব্যাটসম্যান এই ছকেই খেলতে চায় ভারত৷ যদিও অনেক বিশেষজ্ঞরাই মনে করছেন পাঁচ বোলারে খেলানো উচিত৷ পাকিস্তানের বোলিং বিভাগ সেক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে৷
অন্যদিকে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে কিছুটা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন ধোনিরা৷ আর বিশ্বকাপের অতীত রেকর্ডও ভারতের পক্ষেই৷ এখনও পর্যন্ত ৫০ ওভার বা টি-২০ কোনও বিশ্বকাপেই পাকিস্তানের কাছে হারেনি ভারত৷ ২০০৭ সালের প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে অভিযান শুরু করেছিল ভারত৷ সেই বছর চ্যাম্পিয়ন হয় টিম ইন্ডিয়া৷ এবছরও তাই ২০০৭-এরই পুনরাবৃত্তি করতে চাইছে ধোনি ব্রিগেড ৷
ভারতীয়দের বোলিং বিভাগ অবশ্যই চিন্তায় রাখছে তাদের৷ চার বোলার এবং সাত ব্যাটসম্যান এই ছকেই খেলতে চায় ভারত৷ যদিও অনেক বিশেষজ্ঞরাই মনে করছেন পাঁচ বোলারে খেলানো উচিত৷ পাকিস্তানের বোলিং বিভাগ সেক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে৷
তাছাড়া পাক দলে
রয়েছেন আফ্রিদির মতো একজন ব্যাটসম্যান৷ যার ব্যাট চললে বিপক্ষের কপালে দুর্ভোগ
অবশ্যম্ভাবী৷ তাই সবারই এখন চোখ শুক্রবারসীয় মিরপুরের মহারণে৷ সেখানে পাকিস্তান কি
বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে হারার রেকর্ড বদলাবে, নাকি জয় দিয়েই টি-২০ অভিযান শুরু করবেন ধোনিরা৷ তা জানতে অপেক্ষা
আর কয়েক ঘণ্টার৷
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে মিরপুরের শেরে বাংলা
স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান পরস্পরের মোকাবেলা করবে। বিটিভি, মাছরাঙ্গা ও গাজী টিভি খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করবে।

No comments:
Post a Comment