‘শৈলজানন্দ পদক’ পেলেন জয়া আহসান
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের অভিনেত্রী হিসেবে
জয়া আহসান খ্যাত। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তিনি বৈচিত্র্যময় এবং দক্ষ অভিনয়ের মাধ্যমে
মেধার পরিচয় রেখেছেন। আমি বড় হব,
ব্লাইন্ড লেইন, সন্ধ্যাবেলার রূপকথা, শহর থেকে দূরে এমন
অসংখ্য বাংলা ছবির নির্মাতা শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে
কলকাতায় প্রদান করা হয় ‘শৈলজানন্দ পদক’। ২০১৩ সালে কলকাতার শিল্প-সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য
এখন পর্যন্ত মোট আটজনকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার
সন্ধ্যায় কলকাতার রবীন্দ্র সদনে এই পদক বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে যাওয়ার আগে
জয়া বলেন, ‘আলোচনা হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে এ বছর ভারতের আরেকটি বাংলা ছবিতে কাজ করব।’
অরিন্দম শীলের ‘আবর্ত’
ছবিতে অভিনয়ের জন্য জয়া আহসানকে দেওয়া হয়েছে
এই বিশেষ সম্মাননা। এবার এই সম্মাননা আরও পেয়েছেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, মানু মুখার্জি, পীযূষ গাঙ্গুলি, অনিক দত্ত,
সত্যভাষীশ মুখার্জি, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত ও অরুণিমা ঘোষ।
‘তোকে ভালোবাসতেই হবে’
গতকাল শুক্রবার ঢাকাসহ সারাদেশের ৯০ প্রেক্ষাগৃহে
মুক্তি পাচ্ছে সাহারা অভিনীত নতুন ছবি ‘তোকে ভালোবাসতেই হবে’। রাজু চৌধুরী পরিচালিত
এই ছবিতে সাহারার বিপরীতে অভিনয় করেছেন জায়েদ খান।
ছবি সম্পর্কে সাহারা বলেন, ‘ছবিটিতে কাজ করার সময় আমি অনেক আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেছি। আমার চরিত্রটি যথাযথভাবে
ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। রাজু ভাই আমাকে ভীষণ সহযোগিতা করেছেন। আমাদের চলচ্চিত্রে
যে পরিবর্তন আসছে সেটা এই ছবি দেখলে দর্শক তা নতুন করে অনুভব করতে পারবেন।’
সাহারার হাতে নতুন কোন ছবি না থাকলেও তিনি
আবারো নিজেকে চলচ্চিত্রে ব্যস্ত করে তুলতে চাইছেন। শাহাদাত হোসেন লিটনের
‘রুখে দাঁড়াও’
ছবিতে শাকিব খানের বিপরীতে জুটিবদ্ধ হয়ে চলচ্চিত্রে
সাহারার অভিষেক ঘটেছিলো প্রায় দশ বছর আগে। এরপর তিনি ‘অভিশপ্ত রাত’,
‘লালু কসাই’, ‘জোছনার প্রেম’, ‘ভাড়াটে খুনী’,
‘আমাদের ছোট সাহেব, ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’ ‘টাইগার নাম্বার ওয়ান’ , ‘বলবো কথা বাসর ঘরে’, ‘প্রেম কয়েদী’, ‘আমার স্বপ্ন’,
‘ভালোবেসে বউ বানাবো’,‘ডন নাম্বার ওয়ান’, ‘খোদার পরে মা’, ‘মাই নেম ইজ সুলতান’, ‘খুনী সন্তান’, ‘বন্ধু যখন শত্রু’,‘বস্তির ছেলে কোটিপতি’, ‘এক টাকার ছেলে কোটি টাকার মেয়ে’, ‘বড়লোকের দশদিন গরীবের একদিন’ পভৃতি সিনেমায় কাজ
করেছেন।
‘দৃশ্যভ্রম’
ডেল ইমির সঙ্গে এক সময় র্যাম্পে কাজ করতেন
অপূর্ব। এবার নাটকেও তারা একসঙ্গে অভিনয় করলেন। ‘দৃশ্যভ্রম‘
নামের ওই নাটকে আরো অভিনয় করেছেন রোমানা।
ত্রিভূজ প্রেমের কাহিনী নিয়ে নাটকটি নির্মিত
হলেও গল্প একেবারেই ব্যতিক্রম বলে জানালেন নাটকের পরিচালক বি ইউ শুভ। এর গল্প ভাবনা গাজী
মামুনের।
নাটকে রোমানা অভিনয় করেছেন মোহিনী চরিত্রে, অপূর্ব রাতুল এবং ইমি অভিনয় করেছেন ইশা চরিত্রে।
অপূর্ব বলেন, ‘রোমানার সঙ্গে এর আগে অনেক নাটকে কাজ করেছি। যে কোনো চরিত্রে তিনি
খুব তাড়াতাড়ি নিজের ভেতরে নিতে পারেন। ইমির সঙ্গে নাটকে এই প্রথম অভিনয় করছি। ইমি অনেক ভালো করেছেন।’
জেনেভা উৎসবে ‘আকাশ কত দূরে’
সামিয়া জামান পরিচালিত ‘আকাশ কত দূরে’ ছবিটি নবম ওরিয়েন্টাল
ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব জেনেভা তে অংশ নিচ্ছে । সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়
৪ এপ্রিল শুরু হবে দশদিনের এই চলচ্চিত্র উৎসব।
ওরিয়েন্টাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব জেনেভায়
প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ১০০টি চলচ্চিত্র। সাতটি ভিন্ন শাখার
প্রতিযোগিতার মধ্যে স্থান পেয়েছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত চলচ্চিত্র সামিয়া জামানের
ছবি ‘আকাশ কত দূরে’।
‘আকাশ কত দূরে’ সামিয়া জামান পরিচালিত
দ্বিতীয় সিনেমা। চলতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। এতে প্রধান চরিত্রে
অভিনয় করেছেন ফারহানা শাহরিন ফারিয়া, মোস্তফা প্রকাশ ও অঙ্কন। তাদের অভিনীত চরিত্রের
নাম পরী ও বিচ্ছু। শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে পরী ক্ষুধার তাড়নায় ভিড়ে যায় ছিনতাইকারী
চক্রে। ওস্তাদের ঘনিষ্ঠ সহচর হয়ে ওঠে সে। কয়েক বছর পর ছোট্ট
মেয়ে পরী হয়ে ওঠে ছিনতাইকারী দলের নেত্রী। এতিম শিশুদের নিয়ে সে গড়ে তোলে ‘গ্যাং’। ঠক-জোচ্চোর হলেও পরম
মমতায় সে আগলে রাখে দলের শিশুদের। বাবা-মা হারা বিচ্ছুও পরীর ভক্ত হয়ে ওঠে। পরীর দল ভারী হতে থাকে। কিন্তু হঠাৎ একদিন বিবেকের তাড়নায় পরী ফিরে আসতে চায় সুস্থ জীবনে। অন্ধকার জগৎ থেকে বেরিয়ে আসার এ গল্প নিয়েই ‘আকাশ কত দূরে’। ছবিটির কাহিনি, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও গীত রচনা করেছেন জুলফিকার রাসেল। ইবরার টিপু ও বেলাল
খানের সংগীত পরিচালনায় সিনেমার গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন ইবরার টিপু, কণা,
বেলাল খান, খেয়া, প্রান্তি প্রমুখ।




No comments:
Post a Comment