ঝুট ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান ওরফে সুজনকে
পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার অন্যতম তিন পুলিশ সদস্য মিরপুর
থানা থেকে পালিয়েছে।
তারা হলেন মিরপুর থানার এএসআই রাজকুমার, কনস্টেবল আনোয়ার ও কনস্টেবল রাশিদুল হক।
গত মঙ্গলবার রাতে থানা থেকে তারা পালিয়ে যায়। তাদের ওই রাতে নিয়মিত ডিউটি করার কথা ছিল। কিন্তু হত্যার ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে এমন খবর জানতে পেরে তারা পালিয়ে যান বলে মিরপুর থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য জানিয়েছেন। তারা বুধবারের নিয়মিত ডিউটি করার জন্য থানায় হাজির হননি।
মিরপুর থানার ওসি সালাউদ্দিন খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘তাদের গ্রেপ্তার করতে গ্রামের বাড়িতে পুলিশের অভিযান চালানো হচ্ছে।’
নিহতের বড় ভাই নজরুল ইসলাম শামীম জানান, হত্যার ঘটনায় তারা মিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার ইমতিয়াজ আহমেদ ও মিরপুর মডেল থানার ওসি সালাউদ্দিন খান ঐ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। এ ব্যাপারে মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ও থানার ওসি তাদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। ওসি তাকে মোবাইলে ফোন করে এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেন।
তিনি জানান, মিরপুর থানায় পুলিশ যেদিন পিটিয়ে তার ভাইকে হত্যা করে তার পরদিন মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ও ওসি বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ কর্মীদের মোবাইল ফোনে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া তথ্য পাঠিয়েছিলেন। ঘটনার দিন রাতেই তারা মিরপুরের ডিসির কাছে তার ভাইকে ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না নিয়ে পুলিশকে দিয়ে এ ঘটনার দায়ের করা মামলায় তারা বিচার না পাওয়ার আশংকা করছেন।
প্রসঙ্গত, বুধবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স থেকে এসআই জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর জাহিদসহ আট জনের বিরুদ্ধে সুজনকে হত্যার অভিযোগে বাদী হয়ে মামলা (ধারা ৩০২/৩৪) দায়ের করেন মিরপুর থানার এসআই রফিকুল ইসলাম খান। মামলা নং ৪৮। তাৎক্ষণিক মামলাটির তদন্তভার ন্যস্ত হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওপর। এসআই জাহিদ ও নাসিমকে হস্তান্তর করা হলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক নিবারণ চন্দ্র বড়ুয়া ওই দুজনকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানিয়ে আদালতে হাজির করেন।
গ্রেপ্তারকৃত এসআই জাহিদ ও পুলিশের সোর্স নাসিম ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন-মিরপুর থানার এএসআই রাজকুমার, কনস্টেবল আনোয়ার ও রাশিদুল হক, পুলিশ সোর্স পলাশ, ফয়সাল এবং খোকন। এসআই জাহিদ ও নাসিম ছাড়া অন্য আসামিরা এখনও পলাতক।
এদিকে গ্রেপ্তার হওয়া মিরপুর থানার এসআই জাহিদুর রহমান খানসহ দুই জনকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এসআই জাহিদ ও পুলিশের সোর্স নাসিমকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানায় ডিবি পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত এই দুজনের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তারা হলেন মিরপুর থানার এএসআই রাজকুমার, কনস্টেবল আনোয়ার ও কনস্টেবল রাশিদুল হক।
গত মঙ্গলবার রাতে থানা থেকে তারা পালিয়ে যায়। তাদের ওই রাতে নিয়মিত ডিউটি করার কথা ছিল। কিন্তু হত্যার ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে এমন খবর জানতে পেরে তারা পালিয়ে যান বলে মিরপুর থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য জানিয়েছেন। তারা বুধবারের নিয়মিত ডিউটি করার জন্য থানায় হাজির হননি।
মিরপুর থানার ওসি সালাউদ্দিন খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘তাদের গ্রেপ্তার করতে গ্রামের বাড়িতে পুলিশের অভিযান চালানো হচ্ছে।’
নিহতের বড় ভাই নজরুল ইসলাম শামীম জানান, হত্যার ঘটনায় তারা মিরপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার ইমতিয়াজ আহমেদ ও মিরপুর মডেল থানার ওসি সালাউদ্দিন খান ঐ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। এ ব্যাপারে মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ও থানার ওসি তাদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। ওসি তাকে মোবাইলে ফোন করে এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেন।
তিনি জানান, মিরপুর থানায় পুলিশ যেদিন পিটিয়ে তার ভাইকে হত্যা করে তার পরদিন মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ও ওসি বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ কর্মীদের মোবাইল ফোনে অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়া তথ্য পাঠিয়েছিলেন। ঘটনার দিন রাতেই তারা মিরপুরের ডিসির কাছে তার ভাইকে ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না নিয়ে পুলিশকে দিয়ে এ ঘটনার দায়ের করা মামলায় তারা বিচার না পাওয়ার আশংকা করছেন।
প্রসঙ্গত, বুধবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স থেকে এসআই জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর জাহিদসহ আট জনের বিরুদ্ধে সুজনকে হত্যার অভিযোগে বাদী হয়ে মামলা (ধারা ৩০২/৩৪) দায়ের করেন মিরপুর থানার এসআই রফিকুল ইসলাম খান। মামলা নং ৪৮। তাৎক্ষণিক মামলাটির তদন্তভার ন্যস্ত হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওপর। এসআই জাহিদ ও নাসিমকে হস্তান্তর করা হলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক নিবারণ চন্দ্র বড়ুয়া ওই দুজনকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানিয়ে আদালতে হাজির করেন।
গ্রেপ্তারকৃত এসআই জাহিদ ও পুলিশের সোর্স নাসিম ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন-মিরপুর থানার এএসআই রাজকুমার, কনস্টেবল আনোয়ার ও রাশিদুল হক, পুলিশ সোর্স পলাশ, ফয়সাল এবং খোকন। এসআই জাহিদ ও নাসিম ছাড়া অন্য আসামিরা এখনও পলাতক।
এদিকে গ্রেপ্তার হওয়া মিরপুর থানার এসআই জাহিদুর রহমান খানসহ দুই জনকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এসআই জাহিদ ও পুলিশের সোর্স নাসিমকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানায় ডিবি পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত এই দুজনের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

No comments:
Post a Comment