বায়ার্ন মিউনিখ থেকে ছয় বছরের চুক্তিতে রিয়াল
মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন জামান উইঙ্গার টনি ক্রুস। স্প্যানিশ ক্লাব
সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিশ্বকাপের পরে হাই প্রোফাইল এই চুক্তি সম্পন্ন
করে আরেকবার আলোড়ন সৃষ্টি করলো স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরমেন্স দেখানোর পরে ২৪ বছর বয়সী এই প্লে মেকারের দিকে হাত বাড়িয়েছে ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ব্রাজিলের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৭-১ গোলে জার্মানদের জয়ে ক্রুস দুই মিনিটে দুই গোল করে ম্যাচের চেহারা পাল্টে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় জার্মানী ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে ক্রুসকে বিবেচনা করা হচ্ছে। তার সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে এক বিবৃতিতে ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একজন প্লেমেকারের যেকোন পরিস্থিতিতে যেকোন স্থানে খেলার যোগ্যতা থাকা লাগে। ক্রুসের মধ্যে সেই দক্ষতা আছে। একইসাথে পুরো দলকে সহযোগিতা করাও তার অন্যতম কাজ। এসব কিছুর পাশাপাশি দূর্দান্ত ফ্রি-কিক করতেও দারুন পারদর্শী ক্রুস।
আগামী মৌসুমে বায়ার্নের সাথে চুক্তি শেষ হবার কথা ছিল ক্রুসের। আর তাই তাকে নিয়ে রিয়ালের পাশাপাশি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও চেলসিও আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পেনেই পাড়ি জমালেন তারকা এই উইঙ্গার। নিজের নামের পাশে ১১টি শিরোপা সাথে নিয়ে তিনি সানতিয়াগো বার্নাব্যুতে পা রেখেছেন। এর মধ্যে ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়নস লীগ, বুন্দেসলিগা এবং ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা ছাড়া বিশ্বকাপের শিরোপাতো রয়েছেই।
কিশোর বয়সে ২০০৭ সালে ক্রুস যখন বায়ার্নে যোগ দিয়েছিলেন তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। এরপর ১৮ মাসের ধারে তিনি বুন্দেসলিগার প্রতিদ্বন্দ্বী বায়ার লিভারকুসেনে কাটানোর পরে বায়ার্নে ফিরে এসে নিয়মিত মূল একাদশে সুযোগ পান।
এই নিয়ে দ্বিতীয় হাই প্রোফাইল খেলোয়াড় হিসেবে চলতি মাসে লা লিগায় পাড়ি জমালেন ক্রুস। এর আগে লিভারপুল থেকে ৯৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন লুইস সুয়ারেজ। ধারণা করা হচ্ছে মোনকো থেকে কলোম্বিয়ান সুপারস্টার বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলের মালিক হামেস রদ্রিগেজ ক্রুসের সাথে রিয়ালে যোগ দিবেন।
বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরমেন্স দেখানোর পরে ২৪ বছর বয়সী এই প্লে মেকারের দিকে হাত বাড়িয়েছে ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ব্রাজিলের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ৭-১ গোলে জার্মানদের জয়ে ক্রুস দুই মিনিটে দুই গোল করে ম্যাচের চেহারা পাল্টে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় জার্মানী ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে ক্রুসকে বিবেচনা করা হচ্ছে। তার সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে এক বিবৃতিতে ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একজন প্লেমেকারের যেকোন পরিস্থিতিতে যেকোন স্থানে খেলার যোগ্যতা থাকা লাগে। ক্রুসের মধ্যে সেই দক্ষতা আছে। একইসাথে পুরো দলকে সহযোগিতা করাও তার অন্যতম কাজ। এসব কিছুর পাশাপাশি দূর্দান্ত ফ্রি-কিক করতেও দারুন পারদর্শী ক্রুস।
আগামী মৌসুমে বায়ার্নের সাথে চুক্তি শেষ হবার কথা ছিল ক্রুসের। আর তাই তাকে নিয়ে রিয়ালের পাশাপাশি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও চেলসিও আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পেনেই পাড়ি জমালেন তারকা এই উইঙ্গার। নিজের নামের পাশে ১১টি শিরোপা সাথে নিয়ে তিনি সানতিয়াগো বার্নাব্যুতে পা রেখেছেন। এর মধ্যে ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়নস লীগ, বুন্দেসলিগা এবং ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা ছাড়া বিশ্বকাপের শিরোপাতো রয়েছেই।
কিশোর বয়সে ২০০৭ সালে ক্রুস যখন বায়ার্নে যোগ দিয়েছিলেন তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। এরপর ১৮ মাসের ধারে তিনি বুন্দেসলিগার প্রতিদ্বন্দ্বী বায়ার লিভারকুসেনে কাটানোর পরে বায়ার্নে ফিরে এসে নিয়মিত মূল একাদশে সুযোগ পান।
এই নিয়ে দ্বিতীয় হাই প্রোফাইল খেলোয়াড় হিসেবে চলতি মাসে লা লিগায় পাড়ি জমালেন ক্রুস। এর আগে লিভারপুল থেকে ৯৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন লুইস সুয়ারেজ। ধারণা করা হচ্ছে মোনকো থেকে কলোম্বিয়ান সুপারস্টার বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলের মালিক হামেস রদ্রিগেজ ক্রুসের সাথে রিয়ালে যোগ দিবেন।

No comments:
Post a Comment