কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার মাত্র আধা ঘণ্টা
পর টেকনাফের চাঞ্চল্যকর এক শিশু (আলো হত্যা) হত্যা মামলার আসামি সুমন মন্ডল (২২) নামের
এক যুবকের হাতের কব্জি কর্তন করেছে দুর্বৃত্তদল। দুর্বৃত্তরা তার দুই চোখেও ছুরিকাঘাত করেছে। হত্যা মামলায় টানা চার বছর জেল খেটে হাইকোর্টের আদেশে কারাগার
থেকে বের হওয়ার পর পরই বুধবার সন্ধ্যায় কারাগার গেইট এলাকা থেকে দুর্বৃত্তরা ওই
যুবকসহ তার পিতা ও ২ ভাইকে অপহরণ করে এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটায়। হাত কাটা অবস্থায় সুমনকে গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে দুর্বৃত্তরা হাতের
কাটা কব্জিটি নিয়ে গেছে। পুলিশ বুধবার
রাতে অভিযান চালিয়ে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের লিংকরোড এলাকা থেকে অপহৃতদের
উদ্ধার করে।
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবক সুমন মন্ডল জানান, '২০১১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর টেকনাফ উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহর ৮ বছর বয়সের শিশু পুত্র অলি উল্লাহ আলো হত্যা মামলায় আমি আটক হই। আমি আবদুল্লাহর ঘরে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছি। টানা ৪ বছর কারাগারে আটক থাকার পর হাইকোর্টের নির্দেশে আমি জামিনে মুক্তি পাই। কারাগার থেকে বের হয়ে বাস টার্মিনালে যাবার পথেই নিহত শিশুর চাচা আবদুর রহমান ও সাকেরসহ ৭/৮ জনের দুর্বৃত্তদল আমাদের অপহরণ করে। এর পর তারা আমার ডান হাতের কব্জি কেটে নেয় ও আমার দুই চোখে ছুরিকাঘাত করে।' তবে টেকনাফের বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ বুধবারের অপহরণ এবং সুমনের হাতের কব্জি কর্তনের ঘটনায় তার ভাই জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বখতিয়ার উদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। হাত কাটা যুবক সুমনের পিতা নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার পূর্ব নারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দা আফতাব হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, 'আমার পুত্র সুমন দীর্ঘকাল ধরে নিখোঁজ ছিল। পরে পুলিশ মারফত কয়েক বছর আগে জানতে পারি সে টেকনাফে এক শিশু হত্যা মামলার আসামি হিসাবে কারাগারে আটক রয়েছে। আমি তদবির করে উচ্চ আদালতে পুত্রের জামিন মঞ্জুর করাই। এরপর পুত্র জুয়েল এবং আত্মীয় সোবহানকে সাথে নিয়ে কক্সবাজার এসে কারাগার থেকে সুমনকে মুক্ত করে নওগাঁ ফিরে যাবার জন্য বাস টার্মিনালে যাবার পথে আপহরণের শিকার হই।'
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেসুর রহমান জানান, 'আহত সুমনের কাটা হাতের কব্জিটি পাওয়া যায়নি। তার দুই চোখেই ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। সুমন দুর্বৃত্তদলের কয়েকজনের সাথে পরিচিত। তাই তাদের আসামি করে মামলা করা হয়েছে।'
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবক সুমন মন্ডল জানান, '২০১১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর টেকনাফ উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহর ৮ বছর বয়সের শিশু পুত্র অলি উল্লাহ আলো হত্যা মামলায় আমি আটক হই। আমি আবদুল্লাহর ঘরে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছি। টানা ৪ বছর কারাগারে আটক থাকার পর হাইকোর্টের নির্দেশে আমি জামিনে মুক্তি পাই। কারাগার থেকে বের হয়ে বাস টার্মিনালে যাবার পথেই নিহত শিশুর চাচা আবদুর রহমান ও সাকেরসহ ৭/৮ জনের দুর্বৃত্তদল আমাদের অপহরণ করে। এর পর তারা আমার ডান হাতের কব্জি কেটে নেয় ও আমার দুই চোখে ছুরিকাঘাত করে।' তবে টেকনাফের বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ বুধবারের অপহরণ এবং সুমনের হাতের কব্জি কর্তনের ঘটনায় তার ভাই জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বখতিয়ার উদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। হাত কাটা যুবক সুমনের পিতা নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার পূর্ব নারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দা আফতাব হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, 'আমার পুত্র সুমন দীর্ঘকাল ধরে নিখোঁজ ছিল। পরে পুলিশ মারফত কয়েক বছর আগে জানতে পারি সে টেকনাফে এক শিশু হত্যা মামলার আসামি হিসাবে কারাগারে আটক রয়েছে। আমি তদবির করে উচ্চ আদালতে পুত্রের জামিন মঞ্জুর করাই। এরপর পুত্র জুয়েল এবং আত্মীয় সোবহানকে সাথে নিয়ে কক্সবাজার এসে কারাগার থেকে সুমনকে মুক্ত করে নওগাঁ ফিরে যাবার জন্য বাস টার্মিনালে যাবার পথে আপহরণের শিকার হই।'
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেসুর রহমান জানান, 'আহত সুমনের কাটা হাতের কব্জিটি পাওয়া যায়নি। তার দুই চোখেই ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। সুমন দুর্বৃত্তদলের কয়েকজনের সাথে পরিচিত। তাই তাদের আসামি করে মামলা করা হয়েছে।'

No comments:
Post a Comment