Thursday, July 17, 2014

পল্লবীর বাউনিয়া বাঁধে বাড়ির মালিকের কাছে ধর্ষিত ভাড়াটে




মিরপুর ১১ নং লাল মাটিয়ায় অবস্থিত বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় ধর্ষিত হয় এক মহিলা৷ গত ১৭ই জুলাই আনুমানিক ভোর টা থেকে টার দিকে আব্দুল মতিনের কাছে ধর্ষিত হয় এক মহিলা৷ বাউনিয়া বাঁধ বাজারের নাইট গার্ড আব্দুল জলিল এর দ্বিতীয় স্ত্রি৷ কিছুদিন আগেই তার একটি সন্তান জন্ম গ্রহন করে৷ তারা কলাবাগানে আব্দুল মতিন এর বাড়িতেই ভাড়া থাকতো৷ গত কাল ভোর রাতে সে মদ্যপান রত অবস্থায় ওই মহিলাকে ধর্ষন করে৷ ধর্ষনের সময় মহিলা হৈই চৈই করতে গেলে ধর্ষক তার মুখ চেপে ধরে৷ ধর্ষন শেষে যাবার আগ মুহুর্তে ধর্ষিতার স্বামী আব্দুল জলিল বাড়িতে ফিরে দেখে আব্দুল মতিন ধর্ষন শেষ করে বের হতে যাচ্ছে৷ এমতাবস্থায় আব্দুল মতিন নিজের স্ত্রীর মান সম্মান বাচাঁনোর জন্য সবাইকে ডাকা ডাকি করে৷ এবং তার হৈই চৈইয়ের ফলে আশেপাশের লোকজন ভিড় করে৷ অতঃপর সবাই হাতে নাতে ধর্ষক কে ধরে ফেলে৷ তাকে অনেক মারধর করা হয়৷ জনগন তাকে অত্যান্ত প্রহর করে৷ এক পর্যায়ে তাকে উলঙ্গ করে সারা রাত একটি ভ্যান গাড়ির সাথে বেঁধে রাখা হয়৷ রাখলে কি হবে৷ কথায় আছে, “কুকুরের লেজ বার বছর চোঙ্গার ভিতরে রাখলেও সোজা হয় না সকাল বেলা স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহলের লোকজন তাকে সেখান থেকে উদ্ধার কের পুলিশের হাতে সোপার্দ  করে৷ এবং পুলিশ সেই ধর্ষিত নারী টিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়৷ শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখোনো সুরাহা করতে পারেনি পুলিশ৷ পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে৷ মহিলাটির অবস্থা আশঙ্কা জনক৷ মহিলাটির বিয়ে হয়েছে বছর আর একটি স্তান হয়েছে মাত্র থেকে মাস৷ আশঙ্কা জনক অবস্থায় মহিলাটি এখন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে অবস্থান করছে৷ এই দিকে একদল বলছে ধর্ষকের স্বাস্তি চাই৷ আর অন্য দল যারা নিজেদের কে যুব লীগ নেতা বলে নিজেদের কে দাবি করে তারা উঠে পড়ে লেগেছে ধামা চাপা দেবার জন্য৷ কারণ তারা অর্থাত্ কথিত যুব লীগ নেতারা রাজনীতির নামে এলাকাই ত্রাস সৃষ্টি করে৷ বিভিন্ন উপায়ে যুব লিগ নাম ধারণ করে অর্থ উপর্যন করে৷ খবর সূত্রে জানা যায়, ধর্ষকের যখন ঞ্জান ফিরে তখন ধর্ষক নিজেকে যুব লীগ নেতা বলে দাবি করেন৷

No comments:

Post a Comment