রাজধানীর হাতিরঝিলে ডিবি পুলিশের ধাওয়ার সময়
গুলিতে এক যুবক (২৮) নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। ৩
জুলাই উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে খুন করে ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায়
সন্দেহভাজন ছিলেন আপন।
গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার নাজমুল দাবি করেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, একটি প্রিমিও গাড়িতে করে কয়েকজন লোক ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। হাতিরঝিল এলাকায় তারা গাড়িটিকে ধাওয়া করেন। এসময় তারা ডিবির আরেকটা টিমকে অবহিত করেন। এর পর দুটি টিম গাড়িটিকে ধাওয়া করার একপর্যায়ে গাড়িটি থেকে তাদের ওপর গুলি করা হয়। তারা পাল্টা গুলি ছুঁড়লে ছিনতাইকারীরা গাড়িটি রেখে পালিয়ে যায়।
পরে গাড়িটি থেকে আহত অবস্থায় এক ছিনতাইকারীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, গাড়িতে চালকসহ তিন থেকে চারজন ছিল। অন্যরা পালিয়ে গেছে।
বাড্ডা থানার ডিউটি অফিসার নুর ইসলাম জানান, রাত সাড়ে তিনটার দিকে ডিবি পুলিশ একটি লাশ তাদের হাতে দিয়ে যায়। অন্যদিকে বাড্ডা থানার ওসি বিষয়টি জানেন না বলে জানান।
বাড্ডা থানার এসআই জয়ন্ত কুমার মণ্ডল বলেন, ‘মেরুল বাড্ডার হাতিরঝিল এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল লোকটি। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে ভোর সাড়ে চারটার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
পুলিশের দাবি, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ৩ জুলাই উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে খুন করে ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় সন্দেহভাজন ছিলেন আপন। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই পুলিশ আহত হন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমানের ভাষ্য, রাত সাড়ে তিনটার দিকে হাতিরঝিল এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি সাদা গাড়ি ও চারটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, নিহত আপনের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা, রামপুরা ও গুলশান এলাকায় ছিনতাই, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে ওই সব এলাকায় গাড়ি নিয়ে এসব অপরাধ কর্মকাণ্ড ঘটত।
৩ জুলাই রাতে উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে এক ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বাধা দিলে লিয়াকত হোসেন লিটন নামের এক নিরাপত্তাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরদিন ভোরে গাড়িতেই ধর্ষণ করে মেয়েটিকে উত্তরা এলাকায় নামিয়ে দিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মেয়েটির পূর্বপরিচিত রুম্মন নামের এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর বাইরে আর অগ্রগতি নেই। উদ্ধার হয়নি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহূত অস্ত্র।
গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার নাজমুল দাবি করেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, একটি প্রিমিও গাড়িতে করে কয়েকজন লোক ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। হাতিরঝিল এলাকায় তারা গাড়িটিকে ধাওয়া করেন। এসময় তারা ডিবির আরেকটা টিমকে অবহিত করেন। এর পর দুটি টিম গাড়িটিকে ধাওয়া করার একপর্যায়ে গাড়িটি থেকে তাদের ওপর গুলি করা হয়। তারা পাল্টা গুলি ছুঁড়লে ছিনতাইকারীরা গাড়িটি রেখে পালিয়ে যায়।
পরে গাড়িটি থেকে আহত অবস্থায় এক ছিনতাইকারীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, গাড়িতে চালকসহ তিন থেকে চারজন ছিল। অন্যরা পালিয়ে গেছে।
বাড্ডা থানার ডিউটি অফিসার নুর ইসলাম জানান, রাত সাড়ে তিনটার দিকে ডিবি পুলিশ একটি লাশ তাদের হাতে দিয়ে যায়। অন্যদিকে বাড্ডা থানার ওসি বিষয়টি জানেন না বলে জানান।
বাড্ডা থানার এসআই জয়ন্ত কুমার মণ্ডল বলেন, ‘মেরুল বাড্ডার হাতিরঝিল এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল লোকটি। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে ভোর সাড়ে চারটার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
পুলিশের দাবি, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ৩ জুলাই উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে খুন করে ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় সন্দেহভাজন ছিলেন আপন। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই পুলিশ আহত হন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমানের ভাষ্য, রাত সাড়ে তিনটার দিকে হাতিরঝিল এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি সাদা গাড়ি ও চারটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, নিহত আপনের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা, রামপুরা ও গুলশান এলাকায় ছিনতাই, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে ওই সব এলাকায় গাড়ি নিয়ে এসব অপরাধ কর্মকাণ্ড ঘটত।
৩ জুলাই রাতে উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে এক ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বাধা দিলে লিয়াকত হোসেন লিটন নামের এক নিরাপত্তাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরদিন ভোরে গাড়িতেই ধর্ষণ করে মেয়েটিকে উত্তরা এলাকায় নামিয়ে দিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মেয়েটির পূর্বপরিচিত রুম্মন নামের এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর বাইরে আর অগ্রগতি নেই। উদ্ধার হয়নি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহূত অস্ত্র।

No comments:
Post a Comment