Thursday, July 17, 2014

সুখ ধরে রাখতে হলে যে সাতটি বিষয় ত্যাগ করতে হবে


জীবনের চারপাশের পরিবেশ থেকে আমাদের সুখ খুঁজে নিতে হয়আবার অনেক কিছুই রয়েছে যা সুখ নষ্ট করে দেবেতাই সুখী থাকতে হলে নেতিবাচক বেশ কিছু বিষয়কে ত্যাগ করতে হবেএখানে দেখে নিন সাতটি বিষয় যা সুখের জন্য ত্যাগ করতে হবে
১. অন্যের চাহিদা মতো জীবনযাপন করা : সুখী হতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, অন্যের পছন্দমতো নিজের জীবন কাটানোর চেষ্টা ত্যাগ করাএটা জীবনে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্যঅর্থাৎ, মনে যদি পাইলট হওয়ার স্বপ্ন থাকে, তবে বাবা-মায়ের ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা পূরণ করতে গেলে তাতে জীবনের সুখ চলে যাবেতাই নিজের পছন্দ এবং চাহিদা অনুযায়ী জীবনযাপন করতে হবে
২. পরিবর্তনকে বাধা দেওয়া : বয়স ও সময়ের সঙ্গে নিজের মধ্যে পরিবর্তন আসবেআবার আশপাশের অনেক কিছুই বদলে যাবেএসব পরিবর্তনকে বাধাগ্রস্ত করবেন নাএতে হিতে বিপরীত হবেযুগের সঙ্গে তাল মেলাতে না চাইলে কষ্ট আর যন্ত্রণা ভর করবে
৩. অতীত ধরে রাখা : অতীতের যাবতীয় ভুল থেকে শিক্ষা নিনযা হওয়ার তা হয়ে গেছে, একে ধরে রাখলে চলবে নাআবার ভবিষ্যত নিয়েও উদ্বিগ্ন হয়ে লাভ নেইতাই বর্তমান নিয়ে ব্যস্ত থাকুনঅতীতকে অযথা ধরে রাখবেন না
৪. হাল ছেড়ে দেওয়া : আমাদের সবারই সীমাবদ্ধতা রয়েছেতাই অনেক কাজেই ব্যর্থতা আসতে পারেতবুও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবেঅন্যের কাছ থেকে নেতিবাচক কিছু পেলে হতাশ হওয়ার কিছু নেইজীবনে আরো অনেক বন্ধু-স্বজন রয়েছেন যাদের কাছ থেকে ইতিবাচক অনেক কিছু পেয়ে যাচ্ছেন আপনি
৫. শেষ পর্যন্ত আত্মপক্ষ সমর্থন করা : নিজের সীমাবদ্ধতা নিয়ে হতাশ হয়ে শেষ পর্যায়ে কী সব ছেড়ে দিয়েছেন? মনে রাখবেন, সব মানুষের মধ্যেই খাদ রয়েছেকেউ-ই নিখুঁত ননতাই আপনারও ভুল হতে পারেতাই নিজের ভুল বুঝতে পারলে আত্মপক্ষ সমর্থন না করে যাওয়াই ভালোএতে মনের শান্তি নষ্ট হয়
৬. সব সময় অন্যের শিক্ষক হয়ে ওঠা : সারা জীবন ধরে প্রতিটি সময় আমরা হয় শিখছি অথবা অন্যকে শেখাচ্ছিতাই কোনদিন সবকিছু শিখে উঠতে পারবেন নাএকইভাবে সব সময় শিক্ষকের ভূমিকাও পালন করতে পারবেন নাকারণ অনেক কিছু আপনাকে অন্যের কাছ থেকে শিখতে হবেতাই অনেকের কাছেই শিক্ষার্থীর ভূমিকায় দেখবেন নিজেকেএটাই স্বাভাবিক এবং এটাই নিয়ম
৭. সব সময় অভিযোগ করে যাওয়া : যদি খুঁজতে যান, তবে সব সময় সবকিছুতেই অভিযোগ করার মতো কোনো না কোনো বিষয় পাবেন আপনিযদি বিপরীত পথে হাঁটতে চান, তবুও সেখানেও অভিযোগের বিস্তর সুযোগ রয়েছেতাই সবকিছু নিয়ে অভিযোগ করতে যাবেন নাএসব ইতিবাচক এবং নেতিবাচক যাবতীয় বিষয় নিয়েই আমাদের স্বাভাবিক জীবনসূত্র : ইন্টারনেট 

No comments:

Post a Comment