জার্মানদের কাছে সেমিফাইনালে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত
হয়ে বিশ্বকাপ থেকে দু:খজনক বিদায় ঘটেছে স্বাগতিক ব্রাজিলের। এতো বড় পরাজয়ের হতাশা
কারো কারো মতে ১৯৫০ সালের ঘরের মাঠের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা না পাবার দু:সহ
স্মৃতিকেও হার মানিয়েছে। ব্রাজিলের সাবেক কোচ মানো মেনেজেস মনে করেন, দক্ষিণ
আমেরিকার দলটি নিজেরাও ভালভাবে বুঝতে পারছে না কিভাবে এই সমস্যার সমাধান তারা করবে। তার
মতে ইউরোপীয়ান দলগুলো তাদের উন্নত টেকনিক্যাল দক্ষতা দিয়েই দিনে দিনে দক্ষিণ
আমেরিকানদের থেকে উপরে উঠে যাচ্ছে।
লাতিন আমেরিকার কোন দেশে প্রথমবারের মত ইউরোপীয়ান দল হিসেবে এবার জার্মানি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে। রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে মারিও গোয়েতজের একমাত্র গোলে জার্মানদের জয় নিশ্চিত হয়। ফাইনালে আসার আগে জোয়াকিম লোয়ের শিষ্যরা স্বাগতিক ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনালে ওঠে। এরপর নেদারল্যান্ডের কাছেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী প্লে-অফ ম্যাচে সেলেসাওরা ৩-০ গোলে পরাজিত হয়।
পরপর দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের খেসারত দিতে হয়েছে কোচ লুইজ ফিলিপ স্কলারিকে। বিশ্বকাপের পরে তাকে কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার পরে এবার ঘরের মাঠে ব্রাজিলকে নিয়ে দারুন আশাবাদী ছিল সমর্থকরা। কিন্তু জার্মানদের কাছে পরাস্ত হয়ে তাদের সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ২০১০ সালের বিশ্বকাপের পরে ডুঙ্গার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন মেনেজেস। পরবর্তীতে ২০১২ সালে স্কলারির কাছে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হয় তাকে। সাবেক এই কোচের মতে, কোন একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত দক্ষতার ওপর পুরো দল নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। যার কারণে তাদের টেকনিক্যাল দক্ষতার অবনতি হয়েছে। আমরা নিজেদের সমস্যা চিহ্নিত করতে পেরেছি কিন্তু এর থেকে বের হয়ে আসার কোন পথ আমাদের জানা নেই। আসলে এ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মানুষের অভাব রয়েছে। এই মুহূর্তে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। নিজেদের সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধান করতে পারলে আমরা ম্যানেজারের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করতাম এবং খেলোয়াড়দের উন্নতির দিকে নজড় দিতাম। কৌশলগতভাবেই ব্রাজিলের বর্তমান খেলোয়াড়রা উন্নত নয়। আমাদের বলের নিয়ন্ত্রণ যাচ্ছেতাই। অথচ সাম্প্রতীক সময়ে ইউরোপীয়ান ফুটবলের দিকে তাকালে পার্থক্য লক্ষ্য করা যাবে। তারা আমাদের তুলনায় সবদিক থেকেই উন্নত। আমরা এখনো ড্রিবলিং, ব্যক্তিগত দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু অতীতে আমরা যেভাবে খেলোয়াড়দের ব্যবহার করেছি তার কিছুই এখন দেখা যায় না।
লাতিন আমেরিকার কোন দেশে প্রথমবারের মত ইউরোপীয়ান দল হিসেবে এবার জার্মানি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে। রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে মারিও গোয়েতজের একমাত্র গোলে জার্মানদের জয় নিশ্চিত হয়। ফাইনালে আসার আগে জোয়াকিম লোয়ের শিষ্যরা স্বাগতিক ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনালে ওঠে। এরপর নেদারল্যান্ডের কাছেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী প্লে-অফ ম্যাচে সেলেসাওরা ৩-০ গোলে পরাজিত হয়।
পরপর দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের খেসারত দিতে হয়েছে কোচ লুইজ ফিলিপ স্কলারিকে। বিশ্বকাপের পরে তাকে কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার পরে এবার ঘরের মাঠে ব্রাজিলকে নিয়ে দারুন আশাবাদী ছিল সমর্থকরা। কিন্তু জার্মানদের কাছে পরাস্ত হয়ে তাদের সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ২০১০ সালের বিশ্বকাপের পরে ডুঙ্গার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন মেনেজেস। পরবর্তীতে ২০১২ সালে স্কলারির কাছে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হয় তাকে। সাবেক এই কোচের মতে, কোন একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত দক্ষতার ওপর পুরো দল নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। যার কারণে তাদের টেকনিক্যাল দক্ষতার অবনতি হয়েছে। আমরা নিজেদের সমস্যা চিহ্নিত করতে পেরেছি কিন্তু এর থেকে বের হয়ে আসার কোন পথ আমাদের জানা নেই। আসলে এ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মানুষের অভাব রয়েছে। এই মুহূর্তে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। নিজেদের সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধান করতে পারলে আমরা ম্যানেজারের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করতাম এবং খেলোয়াড়দের উন্নতির দিকে নজড় দিতাম। কৌশলগতভাবেই ব্রাজিলের বর্তমান খেলোয়াড়রা উন্নত নয়। আমাদের বলের নিয়ন্ত্রণ যাচ্ছেতাই। অথচ সাম্প্রতীক সময়ে ইউরোপীয়ান ফুটবলের দিকে তাকালে পার্থক্য লক্ষ্য করা যাবে। তারা আমাদের তুলনায় সবদিক থেকেই উন্নত। আমরা এখনো ড্রিবলিং, ব্যক্তিগত দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু অতীতে আমরা যেভাবে খেলোয়াড়দের ব্যবহার করেছি তার কিছুই এখন দেখা যায় না।

No comments:
Post a Comment